রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বাসিন্দা মাহমুদ হাসান। বয়স ২৭। গার্মেন্টসের একটি সাপ্লাই চেইন কোম্পানিতে মাঝারি পদে কাজ করেন। ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা ছোটবেলা থেকেই — বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচ ফলো করেন, খেলোয়াড়দের ফর্ম মনে রাখেন, পিচ রিপোর্ট বোঝার চেষ্টা করেন।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি তিনি Jilievo Live সম্পর্কে প্রথম জানতে পারেন। শুরুতে সন্দেহ ছিল। "অনলাইনে টাকা দেওয়া মানেই ভয় — এটাই আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল," তিনি বলেন। "কিন্তু বন্ধু সাকিব বলল যে সে নিজে বিকাশে টাকা পেয়েছে, তখন একটু সাহস হলো।"
মাহমুদ শুরু করেছিলেন মাত্র ৳৫০০ দিয়ে। প্রথম সপ্তাহে কিছুটা হেরেছেন, কিছুটা জিতেছেন। লাভ বা ক্ষতি তেমন হয়নি। তবে পর্যবেক্ষণ করেছেন — প্ল্যাটফর্মটি কীভাবে কাজ করে, অডস কীভাবে পরিবর্তন হয়, লাইভ বেটিংয়ে কোন সময়টা সুবিধাজনক।
কৌশল যেটা কাজে এসেছে
মাহমুদ বলেন তাঁর সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল ক্রিকেটের গভীর জ্ঞান। "আমি শুধু বাংলাদেশের ম্যাচে বেট করি। দলের অবস্থা, কোন বোলার কোন পিচে কার্যকর, টস জিতলে কোন দল ব্যাটিং নেবে — এগুলো আমি আগে থেকে বিশ্লেষণ করি।"
তিনি একটি নিয়ম করেছেন — কখনো পুরো ব্যালেন্স একটা বেটে লাগাবেন না। প্রতিটি বেটে তিনি সর্বোচ্চ মোট ব্যালেন্সের ১০% ব্যবহার করেন। "এই নিয়মটা না মানলে অনেক আগেই শেষ হয়ে যেতাম," তিনি স্বীকার করেন।